মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

প্রকল্পসমূহ

ঝিনাইদহ জেলার অবস্থানঃ-খুলনা বিভাগাধীন ঝিনাইদহ জেলার উত্তরে কুষ্টিয়া জেলা, দক্ষিনে যশোহর জেলা, পূর্বে মাগুরা জেলা এবং পশ্চিমে চুয়াডাংগা  ও ভারত সীমানা দ্বারা বেষ্টিত। জেলার আয়তন ১,৯৬১.১৪ বঃ কিঃমিঃ, জনসংখ্যা ১৫,৬৮,৪৪০ জন। রাজধানী ঢাকা হইতে ঝিনাইদহ জেলা সদরের দুরত্ব ২২০ কিলোমিটার দক্ষিন পশ্চিমে। ঝিনাইদহ সদর, শৈলকুপা, হরিনাকুন্ডু, কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর এবং মহেষপুর এই ৬ (ছয়) টি উপজেলা ঝিনাইদহ জেলার আওতাভুক্ত।

 

 ঝিনাইদহ জেলার প্রধান প্রধান নদ-নদী ও জাতীয় মহাসড়ক সমূহঃ-ঝিনাইদহ জেলার প্রধান

নদ-নদী সমূহের মধ্যে গড়াই, নবগঙ্গা, কুমার, চিত্রা ও বেগবতী উল্লেখযোগ্য এবং জাতীয় মহা সড়ক (National Hi-way)এর মধ্যে আছে।

 

(১) ঝিনাইদহ - যশোর - খুলনা সড়ক,

(২) ঝিনাইদহ - যশোর - বেনাপোল সড়ক,

(৩) ঝিনাইদহ - চুয়াডাঙ্গা - মেহেরপুর সড়ক,

(৪) ঝিনাইদহ - কুষ্টিয়া - উক্তর বঙ্গ পর্য্যন্ত সড়ক ও

(৫) ঝিনাইদহ - মাগুরা - ঢাকা সড়ক

 

পানি সম্পদ ও নদী ভাংগন সমস্যাঃ-ঝিনাইদহ জেলার শৈরকুপা উপজেলা সীমানার উত্তর পার্শ্ব দিয়া প্রবাহিত হইয়াছে খরস্রোতা গড়াই নদী। শুকনা মৌসুমে উক্ত নদীতে প্রবাহ খুবই কম থাকে। কিন্তু বর্ষা মৌসুমের সুরু হইতেই উক্ত গড়াই নদীর প্রবাহ দারুনভাবে বৃদ্ধি পাইয়া আশপাশের তীর ব্যাপকভাবে ভাংগন সৃষ্টি করে। গড়াই নদীর ডান পাড় দিয়া গড়াই বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ নির্মান করা হইয়াছে এবং বাঁধের সমন্তরালভাবে জি,কে সেচ প্রকল্পের কুষ্টিয়া প্রধান সেচ খাল প্রবাহিত । গড়াই বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের ১৫.০০ কিঃমিঃ হইতে ৩৭.০০ কিঃমিঃ অংশ ঝিনাইদহ পওর বিভাগের আওতাধীন। উক্ত অংশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবছর বর্ষাকালে ভাংগনের সম্মুখিন হয় এবং জরুরী মেরামত কাজ দ্বারা বাঁধ রক্ষা করা হয়। ঝিনাইদহ পওর বিভাগের অধীন গড়াই বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ এলাকাটি একমাত্র নদী ভাংগন সমস্যা কবলিত এলাকা।

         

ঝিনাইদহ জেলার নদী ভাংগন ও জলাবদ্ধতা রোধ কল্পে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক সমাপ্ত চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্প ও কার্যক্রম সমুহের সংক্ষিপ্ত বিবরনী নিম্নে পর্যায়ক্রমে প্রদত্ত হইলঃ-

 

ক)     সমাপ্ত প্রকল্প সমুহ ও কার্যক্রমঃ

১। জি,কে সেচ প্রকল্পঃ

ক) ১ম পর্যায় ( ফেজ-১)ঃ কোড নং- ১৯৮০৩। ১ম পর্যায়ের কাজ সমাপ্ত হয় ১৯৬৯-৭০ সালে।

খ) ২য় পর্যায় ( ফেজ-২)ঃ কোড নং- ১৯৯০২।  ২য় পর্যায় কাজ সমাপ্ত হয় ১৯৮২-৮৩ সালে

 

 ফেজ-১ ( কোড নং- ১৯৮০৩)ঃ

          জি,কে প্রকল্পের ফেজ-১ এ ঝিনাইদহ জেলার অন্তর্গত কুষ্টিয়া প্রধান সেচ খাল  ৫৪.০০ কিঃমিঃ হইতে ৭১.০০ কিঃমিঃ পর্যন্ত। প্রধান সেচ খালে ২টি ক্রস রেগুলেটর ( আর-৫ কে এবং আর-৬ কে)। ফেজ-১ এর আওতায় এস-৯ কে এবং এস-১০ কে  নামে ২টি শাখা খাল আছে। এস-৯ কে সিষ্টেম শাখা খালের মোট সেচ যোগ্য এলাকা ৩,২৫২.০০ হেক্টর এবং এস-১০ কে সিষ্টেম শাখা খালের মোট সেচ যোগ্য এলাকা ১,৬১৩.০০ হেক্টর। ইহা ছাড়া সরাসরি উপ শাখা খাল মোট ৪ টি যাহার সর্বমোট সেচ যোগ্য এলাকা ১,৬৯০.০০ হেক্টর।

ডি,এফ,সি ( ডাইরেক্ট ফিল্ড চ্যানেল) মোট ১৬ টি যাহার সর্বমোট সেচ যোগ্য এলাকা ১,১৬৮.০০ হেক্টর। সর্বমোট ঝিনাইদহ পওর বিভাগের আওতায় ফেজ-১এ ৭,৭২৩.০০ হেক্টর এলাকায় সেচ কার্যক্রম চলিতেছে।

 

 

ফেজ-২ ( কোড নং- ১৯৯০২)ঃ

 

          জি,কে প্রকল্পের ফেজ-২, ঝিনাইদহ জেলার অন্তর্গত আলমডাংগা প্রধান সেচ খাল ১৩.৭০ কিঃমিঃ হইতে ৫১.০০ কিঃমিঃ পর্যন্ত। প্রধান সেচ খালে ৪ টি ক্রস রেগুলেটর আছে ( আর-২এ, আর-৩এ,আর-৪এ,আর-৫এ)।

 

          ফেজ-২ এর আওতায় নিম্ন লিখিত অবকাঠামোগুলি বিদ্যমানঃ

          ক) শাখা খাল যথাক্রমে এস-১এ, এস-২এ, এস-৩এ, এস-৪এ, এস-৪এএ, এস-৫এ, এস-৬এ, এস-৭এ, এস-৮এ, এস-৯এ, এস-৯এএ, এস-১০এ, এস-১০এএ, এস-১১এ  = মোট ১৪ টি। উক্ত শাখা খালগুলির সর্বমোট সেচ যোগ্য এলাকা ২,১৭৭.০০ হেক্টর।

 

খ)       উপ শাখা খাল সর্বমোট = ১৬ টি, সেচ যোগ্য এলাকা = ৩,৯১৯.০০ হেক্টর।

গ)       ডি,এফ,সি ( ডাইরেক্ট ফিল্ড চ্যানেল) মোট = ৮ টি, সেচ যোগ্য এলাকা = ৫৬৩.০০ হেক্টর।

ফেজ-২এ ঝিনাইদহ পওর বিভাগের আওতায় সর্বমোট সেচ যোগ্য এলাকা ২৭,৬৫৯.০০ হেক্টর।

         

গত ৬-৭ বছর যাবৎ আমলা নামক স্থানে সাগরখালী খালের ক্রসড্যাম জনসাধারন কর্তৃক কাটিয়া দেওয়ায় সেচ সরবরাহ বন্ধ থাকে। বর্তমানে উক্ত কাটা স্থানে ১০ ভেন্ট সাইফুন নির্মান কাজ সমাপ্ত হইয়াছে। ইতিমধ্যে ফেজ-২ এলাকায় সেচ কার্য্যক্রম শুরু হইয়াছে এবং চলতি মৌসূমে সফলভাবে সেচ কার্য্যক্রম চলিতেছে। সেচ কার্য্যক্রম চালু হওয়ার ফলে ঝিনাইদহ বিভাগের আওতায় চলতি বছর হইতে আরও ২৭,০০০.০০ হেঃ জমি সেচ কার্য্যক্রমের আওতায় আসিয়াছে।

 

তত্তিপুর বিল নিস্কাশন উপ-প্রকল্প ( সমাপ্ত প্রকল্প )।

 

          তত্তিপুর বিল নিস্কাশন উপ-প্রকল্পটি খুদ্রায়তন, বন্যানিয়ন্ত্রন ও সেচ প্রকল্প (২য় পর্যায় ২৭ টি উপ-প্রকল্প ) এর আওতায় ২০০০ সালে বাস্তবায়ন কাজ সমাপ্ত হয়। এই উপ-প্রকল্পটি ঝিনাইদহ জেলা শহর হইতে ৩০ কিঃমিঃ দক্ষিন-পূর্বে এবং কালীগঞ্জ উপ-জেলা সদর হইতে ১৫ কিঃমিঃ পূর্বে অবস্থিত। এই উপ-প্রকল্পের আওতায় ১ টি রেগুলেটর ও ২ টি ব্রিজ নির্মান করা হয়। উক্ত কাজে ব্যায় হয় ১৩৪.০০ লক্ষ টাকা। ইহা ছাড়া ৩.৪০ কিঃমিঃ খাল পুনঃখনন কাজ হয় যাহার জন্য বরাদ্ধকৃত ১৫০.০০ মেঃ টন খাদ্য শস্য ব্যায় হয়। উক্ত উপ-প্রকল্পটি সম্পাদিত হওয়ায় ৬০০ হেঃ জমি জলাবদ্ধতার হাত হইতে রক্ষা পায়। ইহার ফলে অতিরিক্ত প্রায় ২০০০ মেঃ টন খাদ্য শস্য উৎপাদিত হইতেছে। যাহার ফলে এলাকার আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন সাধিত হইয়াছে।

 

কাজুলী বিল উপ-প্রকল্প ( নং-১৪৫ )

 

          এই উপ-প্রকল্পটি আই,ডি,এ ক্রেডিট নং-১৮৭০- বিডি- এর অর্থায়নে সম্পাদিত হয়। উপ-প্রকল্পটি ঝিনাইদহ জেলা সদর হইতে ৯.০০ কিঃমিঃ দক্ষিনে এবং কালীগঞ্জ উপ-জেলা সদর হইতে ১১.০০ কিঃমিঃ উত্তরে অবস্থিত। উপ-প্রকল্পটি এম.পি.ও-এর শ্রেনীভূক্ত যাহার ব্যাচমেন্ট নং- ২০ এবং প্লানিং এরিয়া নং-৪৩। উক্ত প্রকল্পটি ১৯৯৪-৯৫ অর্থ বছরে সমাপ্ত হয়। উপ-প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য মোট খরচ হয় ১০৬.৩৫ লক্ষ টাকা।

উক্ত উপ-প্রকল্পে ১ টি রেগুলেটর, ৪টি ব্রীজ নির্মান ও ১২.০০ কিঃমিঃ নিষ্কাশন খাল পুনঃ খনন করা হয়। উপ-প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে ২১৬৯.০০ হেঃ এলাকার নিষ্কাশন ব্যাবস্থার উন্নতি ঘটে, যাহার ফলে অতিরিক্ত ১৫০০০.০০ মেঃ টন খাদ্যশস্য উৎপাদিত হয়ে আসছে। ইহার ফলে এলাকার কৃষক সহ সকল মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার দারুণ উন্নতি ঘটিয়াছে।

 

 

 

পুটিয়া-চান্দুয়া বিল নিস্কাশন উপ-প্রকল্প ( সমাপ্ত প্রকল্প )।

 

পুটিয়া-চান্দুয়া বিল নিস্কাশন উপ-প্রকল্পটি ঝিনাইদহ সদর উপ-জেলা আওতাধীন। ঝিনাইদহ শহর হইতে ২০.০০ কিঃমিঃ পূর্বে অবস্থিত। এই উপ-প্রকল্পটি ১৯৯৯-২০০০ সালে বাস্তবায়িত হয়, যাহার উপকৃত এলাকা ১২০০.০০ হেঃ। উপ-প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ২৪২.৪২ লক্ষ টাকা ব্যায় হয়। উক্ত উপ-প্রকল্পে ২ টি রেগুলেটর, ৪টি ব্রিজ নির্মানকরা হয় এবং ২৪.৫০ কিঃমিঃ নিষ্কাশন খাল পুনঃখনন কাজ সম্পন্ন হয়। এই উপ-প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে বৎসরে প্রায় ৮০০০.০০ মেঃ টন অতিরিক্ত খাদ্য শস্য উৎপাদিত হয়ে আসছে। ইহা ছাড়া এলাকার যোগাযোগ ব্যাবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হইয়াছে।

 

 

বেগবতী-রাজারাম উপ-প্রকল্প ( সমাপ্ত প্রকল্প )।

 

বেগবতী-রাজারাম  উপ-প্রকল্পটি ঝিনাইদহ জেলা সদর হইতে ১৮.০০ কিঃমিঃ দক্ষিনে ( ঝিনাইদহ-যশোর সড়কের পশ্চিম পার্শ্বে ) অবস্থিত। এই উপ-প্রকল্পটি ১৯৯০-৯১ অর্থ বছরে সমাপ্ত হয়। ১ টি রেগুলেটর নির্মান এবং ১৬.৭০ কিঃমিঃ নিষ্কাশন খাল পুনঃখনন এই প্রকল্পের প্রধান অঙ্গ। উপ-প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৬৮.০০ লক্ষ টাকা ব্যায় হয়। প্রকল্পটির উপকৃত এলাকা ১৭৪০.০০ হেঃ। উপ-প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে ১৭৪০.০০ হেঃ জমি জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হয় এবং ইহার ফলে বৎসরে অতিরিক্ত ১০,০০০.০০ মেঃ টন খাদ্য শস্য উৎপাদিত হয়ে আসছে। ফলে এলাকার আর্থ-সামাজিক অবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হইয়াছে।

 

 

 

হামুদর বিল নিষ্কাশন উপ-প্রকল্প ( সমাপ্ত প্রকল্প )।

 

হামুদর বিল  উপ-প্রকল্পটি ঝিনাইদহ সদর হইতে ২০.০০ কিঃমিঃ দক্ষিন-পশ্চিমে অবস্থিত। উক্ত উপ-প্রকল্পটি ১৯৮৫-৮৬  অর্থ বছরে সমাপ্ত হয়। উপ-প্রকল্পটির উপকৃত এলাকা ৪,২৫১.০০ হেঃ। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ১৯৯.৮৬ লক্ষ টাকা ব্যায় হয়। ৩ টি ব্রিজ নির্মান ও ২০.৮৯ কিঃমিঃ নিষ্কাশন খাল পুনঃখনন এই উপ-প্রকল্পের প্রধান অঙ্গ ছিল। উপ-প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে বৎসরে প্রায় ৩০,০০০.০০ মেঃ টন অতিরিক্ত খাদ্য শস্য উৎপাদিত হয়ে আসিতেছে। ইহা ছাড়া প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে এলাকার যোগাযোগ ব্যাবস্থার যথেষ্ট উন্নতি সাধিত হইয়াছে।

 

 

 

 

 (গ)    সম্ভাব্য কার্যক্রমঃ

 

          ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ ও কোটচাঁদপুর উপ-জেলার মধ্য দিয়া প্রবাহিত হইয়াছে চিত্রা নদী। উক্ত দুই উপ-জেলার বিভিন্ন বিলের নিষ্কাশিত পানি এই চিত্রা নদীতে আসিয়া পড়ে এবং এই নদীর মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়। কিন্তু চিত্রা নদী কালীগঞ্জ উপ-জেলা সদর হইতে দর্শনা পর্যন্ত দীর্ঘদিন পলি জমিয়া উহার কার্যকারীতা প্রায় হারিয়ে বসিয়াছে। চিত্রা নদীর উল্লেখিত অংশ পুনঃখননের মাধ্যমে পুনরায় পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে  CHITRA RIVER DEVELOPMENT PROJECT - নামে সম্ভাব্যতা জরীপ কাজ সমাপ্ত হয় এবং উহার চুড়ান্ত প্রতিবেদন প্রস্ত্তত হইয়াছে। এখন ডি.পি.পি প্রস্ত্ততের প্রক্রিয়া চলিতেছে। ডি.পি.পি. প্রস্ত্তত করা হইলে যথাযথ দপ্তর সমূহে দাখিল করা হইবে। চিত্রা নদীর উল্লেখিত অংশ পুনঃ খনন  করা হইলে কালীগঞ্জ ও কোর্টচাঁদপুর উপ-জেলা এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যাবস্থার অভূত উন্নয়ন সাধিত হইবে।

 

 

 

 

ঝিনাইদহ জেলার বাপাউবো’র সমাপ্ত, চলমান ও প্রস্তাবিত কার্যক্রমের সার সংক্ষেপঃ-

 

ক)     সমাপ্ত কার্যক্রমঃ

 

ক্রমিক নং

প্রকল্পের নাম

অবস্থান

প্রকল্প ব্যায়

(লক্ষ টাকায়)

কাজের মূল অংগ সমূহ

প্রকল্প শুরু

উপকৃত এলাকা

সমাপিত

০১।

তত্তিপুর বিল নিষ্কাশন উপ-প্রকল্প

উপ-জেলাঃ কালীগঞ্জ

১৩৪.৪০

রেগুলেটর- ১টি, কালভার্ট - ১টি, নিষ্কাশ খাল = ৩.৪০ কিঃমিঃ

১৯৯৭-৯৮

১৯৯৯-২০০০

৬০০.০০ হেঃ

০২।

কাজুলী বিল উপ-প্রকল্প

উপ-জেলাঃ কালীগঞ্জ ও ঝিনাইদহ

১০৬.৩৪

ব্রিজ = ৩ টি, কালভার্ট - ১টি,

নিষ্কাশ খাল = ১২.০০ কিঃমিঃ

১৯৯৩-৯৪

১৯৯৪-৯৫

২১৬৯.০০ হেঃ

০৩।

পুটিয়া - চাঁন্দুয়া বিল নিষ্কাশন উপ-প্রকল্প

উপ-জেলাঃ-ঝিনাইদহ

২৪২.৪২

রেগুলেটর= ২টি

ব্রিজ= ৪ টি,

নিষ্কাশ খাল

= ২৪.০৫ কিঃমিঃ

১৯৯৭-৯৮

১৯৯৯-২০০০

১২০০.০০ হেঃ

০৪।

বেগবতী-রাজারাম উপ-প্রকল্প

উপ-জেলাঃ-ঝিনাইদহ

৬৮.০০

রেগুলেটর = ১ টি

নিষ্কাশ খাল

= ১৬.৭০ কিঃমিঃ

১৯৮৯-৯০

১৯৯০-৯১

১৭৪০.০০ হেঃ

০৫।

হামুদর বিল নিষ্কাশন উপ-প্রকল্প।

উপ-জেলাঃ-ঝিনাইদহ

১৯৯.৮৬

ব্রিজ = ৩টি,

নিষ্কাশ খাল

= ২০.৮৯ কিঃমিঃ

১৯৮৪-৮৫

১৯৮৫-৮৬

৪২৫১.০০ হেঃ

 

গ)     সম্ভাব্য কার্যক্রমঃ

 

ক্রমিক নং

প্রকল্পের নাম

অবস্থান

প্রকল্প ব্যায়

(লক্ষ টাকায়)

কাজের মূল অংগ সমূহ

প্রকল্প শুরু

উপকৃত এলাকা

সমাপিত

১।

চিত্রা নদী উন্নয়ন প্রকল্প

উপ-জেলাঃ

কালীগঞ্জ,কোর্ট চাঁদপুর।

২৩২৮.৩০

(প্রস্তাবিত)

চিত্রানদীর সংযোগখাল সমুহ পুনঃ খনন,

চিত্রা নদী পুনঃ খনন, ওয়াটার রিটেনশন স্টাকচার ২ টি, বক্স কালভার্ট ২টি।

প্রস্তাবিত প্রকল্প

এখনও শুরু হয় নাই।

৪২,৬০০.০০ হেঃ

২।

কুমার নদী পুনঃখনন প্রকল্প।

উপ-জেলাঃ- হরিনাকুন্ডু, ঝিনাইদহ ও শৈলকুপা।

১০০০.০০

(প্রস্তাবিত)

কুমার নদী পুনঃখনন, ড্রেনেজ সংযোগ খাল পুনঃখনন, ১টি সাইফুন,

প্রস্তাবিত প্রকল্প

এখনও শুরু হয় নাই।

১১,৫০০.০০ হেঃ

৩।

গড়াই নদীর ডানতীরে স্থায়ী প্রতিরক্ষামূলক বাঁধ

উপ-জেলাঃ- শৈলকুপা।

১২০০.০০

(প্রস্তাবিত)

বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধে সি.সি. ব্লক দ্বারা প্রতিরক্ষা মূলক কাজ

প্রস্তাবিত প্রকল্প

এখনও শুরু হয় নাই।

৭,০০০.০০ হেঃ

 

 

  মোট টাকা

৫৫২৮.৩০

(প্রস্তাবিত)

 

 

 

 

 

 

 

 

উপসংহারঃ

         

          ঝিনাইদহ জেলার উত্তর পশ্চিম অংশ জুড়িয়া গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প বিদ্যমান। এই সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে জেলার ৩৫৫০০ হেঃ এলাকা সেচ সুবিধা পাইয়া থাকে এবং অত্র এলাকার জনসাধারন বৎসরে দুইটি ফসল নিশ্চিতভাবে উৎপাদন করিয়া থাকে। যেহেতু জি,কে সেচ প্রকল্পটি বন্যা নিয়ন্ত্রন ও নিস্কাশন সুবিধা  বিদ্যমান, সেইহেতু জনসাধারনের ফসল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা নাই। ফলে অত্র জি,কে প্রকল্প এলাকায় সেচ সুবিধা প্রাপ্তির ফলে এলাকার কৃষকগন দ্বিগুন ফসল উৎপাদন করিয়া জাতিয় অর্থনীতিতে এবং খাদ্যে সয়ং সম্পুর্নতা অর্জনে ব্যপক ভুমিকা রাখিয়া আসিতেছে।

         

ঝিনাইদহ জেলার দক্ষিন পূর্ব ও দক্ষিন পশ্চিম অঞ্চলের ব্যপক এলাকা জি,কে সেচ প্রকল্পের বাহীরে অবস্থিত। সংগত কারনেই পূর্ব হইতে বন্যানিয়ন্ত্রন ও নিস্কাশন সুবিধা গড়িয়া ওঠে নাই। সেই কারনে অত্র এলাকায় ছোট ছোট উপ প্রকল্প বাস্তবায়ন করিয়া নিস্কাশন ব্যবস্থা উন্নতি করা হইয়াছে এবং  হইতেছে। এই সমস্ত উপ প্রকল্পের মাধ্যমে উক্ত এলাকার জন সাধারন তাহাদের এলায় বর্তমানে একের অধীক ফসল উৎপদন করিয়া তাহাদের আর্থসামাজিক অবস্থার প্রভুত উন্নতি ঘটাইয়াছে।

ছবি


সংযুক্তি

ঝিনাইদহ জেলায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প ভিত্তিক কার্যক্রম (ডক ফাইল) ঝিনাইদহ জেলায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প ভিত্তিক কার্যক্রম (ডক ফাইল)


সংযুক্তি (একাধিক)

ঝিনাইদহ জেলায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প ভিত্তিক কার্যক্রম (পিডিএফ ফাইল) ঝিনাইদহ জেলায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প ভিত্তিক কার্যক্রম (পিডিএফ ফাইল)



Share with :

Facebook Twitter